বার্তা ╏ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর মোবারকবাদ এবং আসন্ন দিনগুলোর প্রস্তুতি ╏ Saham Al Hind media

১৪৪৬ হিজরীর ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বার্তা

মার্চ ২০২৫ | রমাদ্বন ১৪৪৬

PDF Downlaod link

 

 

 

জামা’আতুল মুজাহিদীন এর পক্ষ হতে মুসলিম উম্মাহর প্রতি

′পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর মোবারকবাদ এবং আসন্ন দিনগুলোর প্রস্তুতি′
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِيَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ. أما بعد
আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। যিনি আমাদেরকে ইমানের মত মহামূল্যবান সম্পদ দান করেছেন। আমাদের এত নাফরমানির পরেও ফিরে আসার সুযোগ দিয়ে রেখেছেন। তাওহীদের পথে চলা আমাদের জন্য সহজ করেছেন। আমাদেরকে আরোও একটি রমাদ্বন মাস উপহার দিয়েছেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা তার পবিত্র কিতাবে বলেন,
شَهْرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِىٓ أُنزِلَ فِيهِ ٱلْقُرْءَانُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَٰتٍ مِّنَ ٱلْهُدَىٰ وَٱلْفُرْقَانِۚ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُۖ
“রমাযান মাস- যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে, কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোযা পালন করে” [সূরা বাক্বরা: ১৮৫]
তিনি আরোও বলেন,
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের প্রতি রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকদের প্রতি ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। [সূরা বাক্বরা: ১৮৩]
কুরআন নাযিল করা হয়েছে রমাদ্বন মাসে হিদায়াত স্বরূপ। একই মাসে সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেন আমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পারি। একজন ইমানদার ব্যক্তির জন্য পরকালে সফলতা লাভের অন্যতম একটি হাতিয়ার হলো তাক্বওয়া। আল্লাহর কাছে বান্দার মানদন্ড হলো তাক্বওয়া। সুতরাং এই তাক্বওয়া অর্জনের জন্য রমাদ্বন জুড়ে যারা চেষ্টা-সাধনা করেছেন, আল্লাহ তাদের কবুল করুন।
পৃথিবীর সমস্ত ইমানদার ও মুমিন ভাইবোনের প্রতি…
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমরা আপনাদের সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা আপনাদের সিয়াম, সদাকাতুল ফিতর সহ অন্যান্য ইবাদতসমূহ কবুল করুন। আমরা দুআ করি, ঈদের আনন্দ যেন সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, ইমানদারগণের একে-অপরের প্রতি মহোব্বত যেন বৃদ্ধি পায়, এক উম্মাহ – এক দেহ এই বিশ্বাস যেন আরোও দৃঢ় হয়। সম্মানিত মুসলিম উম্মাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি দেহের ন্যায় তুলনা করেছেন, যার একটি অঙ্গ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার অপর অঙ্গ ব্যথিত হয়। আজ গাজা থেকে আরাকান পর্যন্ত ইমানদারগণ আঘাতপ্রাপ্ত, বিশ্ব কুফরি জোটের পরোক্ষ সমর্থনে এই গণহত্যাসমূহ পরিচালিত হচ্ছে আমাদের চোখের সামনেই, তবুও কি আমরা ব্যথিত হচ্ছি? যুদ্ধরত ভূখণ্ড গুলোর বাইরে অবস্থান করেও আমাদের অনেক কিছু করণীয় আছে, আমরা কতটুকু করছি? মুসলিম উম্মাহর ইমানী দুর্বলতার কারণে আজ বৈশ্বিক জিহাদি মেহনতের অংশ থেকে পিছিয়ে থাকা ভূমিগুলোতে যেন ইসলামের বিজয়কে বিলম্ব করা যায়, সেই লক্ষ্যে বিশ্ব কুফফার জোট তাদের নিয়মিত চক্রান্তকে আরোও তীব্র করতে সক্ষম হচ্ছে। গাজায় চলমান গণহত্যা, মুসলিম উম্মাহকে গভীরভাবে উপলব্ধি করিয়েছে যে জাতিসংঘ, নামধারী মুসলিম শাসক ও সেনাবাহিনী, ওআইসি সহ কোনো সংস্থাই তাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করবে না। তাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধারের একমাত্র পথ হলো জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ। এর চেয়ে দামী শিক্ষা আর কি হতে পারে! এই বাস্তবতা আমরা যত দ্রুত উপলব্ধি করবো তত দ্রুতই ইসলামের বিজয় এগিয়ে আসবে ইনশা-আল্লাহ।
ভারতে অবস্থানরত প্রিয় ইমানদার ভাইগণ!
আপনারা হলেন মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্তরসূরী, শিরকের অন্ধকারে ইমানের আলোকে রক্ষাকারী। আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিছু ভূমি সংঘাত কাটিয়ে উঠেছে, কিছু ভূমিতে সংঘাত চলমান আর কিছু ভূমি সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের জন্য এই বাস্তবতা উপলব্ধি করা খুবই জরুরী যে, ভারতীয় উপমহাদেশ এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই সংঘাতকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়ার জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছে জায়নবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তি। ইসলামের বিরুদ্ধে তারা এক ও অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে মাঠে আছে। পৃথিবীর সমস্ত কুফরি ও শিরকি শক্তির জন্য একমাত্র হুমকি হলো ইমান ও তাওহীদ অর্থাৎ ইসলাম। তাই ইসলামকে নির্মূল করার বিষয়ে তারা সকলেই পরস্পরের বন্ধু। উপমহাদেশে খ্রিস্টান রাষ্ট্র এবং অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের একমাত্র বাধা হলো ইসলাম। তাই তাওহীদি চেতনা লালনকারী ইমানদারদের দমন করার জন্য, ইসরায়েল এবং মিয়ানমারের গনহত্যা মডেল তারা বেছে নিয়েছে এবং কার্যকরের জোড় চেষ্টা চালাচ্ছে। সময় যত অতিবাহিত হবে, ভারতে মুসলিমদের অবস্থান করা তত কষ্টকর হবে। ইতিহাস থেকে আমাদের সকলের শিক্ষা এটাই যে, মুসলিমদের উপর গনহত্যা চালানো হলে পুরো বিশ্ব নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তাই আমাদের সমস্যার সমাধান আমাদের নিজেদেরকেই করতে হবে হিন্দুত্ববাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে জিহাদের মাধ্যমে। আল্লাহ ভারতের মুসলিমদের হিফাজত করুন, তাদের সাথে মুজাহিদীনদের একত্রিত করুন।
বাংলাদেশের প্রিয় দ্বীনদার শ্রেণী!
সময়ের সাথে সাথে এই অঞ্চলে তাওহীদের পরিবেশের যে তরক্কী এসেছে তা আমাদের কাছে আনন্দের। পরিবেশের পরিবর্তনে আপনাদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এই সামান্য পরিবর্তনই ইসলামের শত্রুদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজ সৃষ্টি করেছে। তারা খুব চিন্তিত অত্র অঞ্চলে ইসলামের নবজাগরণকে নিয়ে। ইসলামের শত্রুরা এটা ভালো করেই জানে যে, ময়দানের যুদ্ধে মুজাহিদীনরা বিজয় না পাওয়া অব্দি কখনোই পিছপা হবে না। এজন্য তারা যথাসম্ভব ময়দানকে এড়িয়ে যেতে চায়। তাই জিহাদের আমল যেন উম্মতের মাঝে চালু না হয় সেই লক্ষ্যে তারা একাধিক চক্রান্ত চালাচ্ছে। আজ দিবালোকের মত এটা আপনাদের কাছে সুস্পষ্ট হওয়া জরুরি যে, গণতন্ত্র অথবা ইসলামী গণতন্ত্রের লেবাসে কেউ ই আপনাদেরকে মুক্তি দিবে না বরং কোন না কোনভাবে পশ্চিমা অথবা হিন্দুত্ববাদের দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করবে। সম্প্রীতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থান এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আন্দোলন চলাকালীন তারা তাওহীদি জনতার ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছে, কিন্তু আন্দোলন শেষ হওয়ার পর পূর্বের সরকারের ন্যায় তারাও ইসলামের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান কে স্পষ্ট করেছে। তাই এরূপ প্রতারণা থেকে আপনারা যদি নিজেদেরকে নিরাপদ রাখতে চান তবে এক্ষেত্রে আপনাদের মানদন্ড হওয়া উচিত ইমান ও কুফর এবং তাওহীদ ও শিরক। যেই আন্দোলনের মূল দাবি ইমান ও তাওহীদ ব্যতীত অন্য কিছু হবে, সেই আন্দোলন মানুষকে তাগুতের দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করবেই। তাই চলমান সংকটসমূহ পর্যালোচনা করে এটা বলা যায়, বাংলাদেশের দ্বীনদার শ্রেণীর আজ অনেক কিছু করণীয় রয়েছে। বাংলার ভূমিকে জিহাদের জন্য আরোও উর্বর করার মূল দায়িত্ব আপনাদেরকেই গ্রহণ করতে হবে। ত্বাগুতগোষ্ঠির প্রত্যেকটা প্রতারণাকে উম্মাহর সামনে স্পষ্ট করতে হবে। জিহাদের প্রয়োজনীয়তার উপলব্ধি এবং শাহাদাতের তামান্না উম্মাহর মাঝে জাগ্রত করতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে যেগুলো তৃণমূল পর্যায়ে উম্মাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে, তাদের সমস্যার সমাধান দিবে, তাদের বিপদে পাশে থাকবে, তাদেরকে নিরাপত্তা দান করবে এবং তাদের কাছে শরিয়াহর দাওয়াত তুলে ধরবে। আমরা আবারও সতর্ক করছি, গণতন্ত্র অথবা জাতীয়তাবাদের লেবাসে যেসকল দল আপনাদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করছে, তাদের বিষয়ে উম্মাহকে সতর্ক করুন। বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে যারা গণঅভ্যুত্থান এনেছে, তাদের দাবী শরিয়ত প্রতিষ্ঠার দাবী নয়, তাই দিনশেষে তারাও ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবে – এই বাস্তবতা তাওহীদি জনতার সামনে তুলে ধরুন। আপনারাই হলেন মুজাহীদিন এবং তাওহীদি জনতার মাঝে বর্তমান সময়ের জন্য যোগাযোগ সেতু। তাই আপনাদের উপর এই গুরু দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে। নিঃসন্দেহে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসিত হব পরকালে। তাই এই গুরু দায়িত্ব পালনে নিজেদের সবকিছু উৎসর্গ করার মানসিকতা থাকতে হবে। আল্লাহ আপনাদের জন্য সহজ করুন।
জিহাদে আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী কাফেলাসমূহ!
উপমহাদেশের জিহাদী কাফেলাগুলো পরস্পরের ভাই। তাওহীদের উপর অটল-অবিচল থাকা অবস্থায় আমাদের মৃত্যু হলে, আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতে একত্রিত করবেন ইনশা-আল্লাহ। জিহাদের সাথে মুমিনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আর মুমিনদেরকেই আল্লাহ ক্বিতালের জন্য উদ্বুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন। প্রকৃত মুমিন তারাই যারা ক্বিতালের সাথে সম্পর্ক রাখে। যেমন আল্লাহ (সুব:) বলেন,
إِنَّمَا ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا۟ وَجَٰهَدُوا۟ بِأَمْوَٰلِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِۚ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلصَّٰدِقُونَ
মুমিন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উপর ঈমান আনে, অতঃপর কোনরূপ সন্দেহ করে না, আর তাদের মাল দিয়ে ও জান দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে; তারাই সত্যবাদী। [সূরা হুজরাত: ১৫]
সুতরাং বাস্তবিক অর্থে আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন থাকবো যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা এই উম্মাহকে নিরাপত্তা প্রদান করতে পারবো। আর ক্বিতাল ব্যতীত অন্য কোনো পদ্ধতিতে উম্মাহকে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব নয়। তাই একটা জিহাদী কাফেলা ততক্ষণ পর্যন্ত উম্মাহর অভিভাবক হয়ে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ক্বিতাল চালিয়ে যাবে। শুধুমাত্র কিছু ইস্যু-কেন্দ্রীক বার্তা/বিবৃতি প্রকাশ করা এবং অনলাইন-অফলাইনে জিহাদের দিকে দাওয়াত দেওয়ার মাঝেই নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখা, এটা কখনোই একটি জিহাদী কাফেলার বৈশিষ্ট্য নয়। যদি আমরা এরকম কার্যক্রমের মাঝেই নিজেদেরকে সীমাবদ্ধ রাখি তবে এর দ্বারা মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিবর্তে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সন্তুষ্টি অর্জিত হবে। তাই সম্মানিত মুজাহিদ ভাইয়েরা, আমাদের কার্যক্রমে যদি ইদাদ না থাকে তবে অচিরেই আমরা জিহাদের পথ থেকে সরে যাবো। তখন আমাদের পরিবর্তে আল্লাহ অন্য কাউকে এই জায়গায় নিয়ে আসবেন। অতএব আল্লাহকে ভয় করুন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী ইদাদ চালিয়ে যান। আশা করা যায় অচিরেই আল্লাহ ক্বিতালের জন্য ময়দান খুলে দিবেন ইনশাআল্লাহ। আমরা সর্বদা স্মরণ রাখবো, নববী মানহায ছেড়ে এক মুহুর্তের জন্যেও ভিন্ন পথ গ্রহণ করার কোনো অবকাশ নেই। আল্লাহ আমাদের তৌফিক্ব দান করুন, পরিপূর্ণ তার সন্তুষ্টির পথের উপর চলার জন্য। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের ভুল-ত্রুটি গুলো ক্ষমা করে দিন। আমাদের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা সহজ করে দিন। আমাদের বন্দি ভাইদের মুক্তি ত্বরান্বিত করুন। মাসজিদুল আকসা রক্ষাকারী ভাইদেরকে আসমান থেকে নুসরত করুন। গাজাবাসীর জন্য আপনার রহমতের দরজা আরোও প্রশস্ত করুন। (আমিন ইয়া রব্বুল আলামীন) ​​
শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল হিন্দি হাফিজাহুল্লাহ মুখপাত্র – জামা’আতুল মুজাহিদীন

Related posts

Leave a Comment